গেরুয়া শিবিরের বঙ্গভঙ্গের উস্কানিতেই সরব হচ্ছে একের পর এক বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন

0
219

কয়েকদিন আগেই বাংলা ভাগের সরব হয়েছিলেন দুই বিজেপি নেতা, জন বার্লা ও সৌমিত্র খাঁ। তাদের এইরূপ উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরেই দক্ষিণ এবং উত্তরবঙ্গে ফের মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে নানা বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন। দক্ষিণবঙ্গের জঙ্গলমহল এলাকায় ‘গ্রেটার ঝাড়খণ্ড’ আন্দোলনকে ফের সক্রিয় করে তোলা হচ্ছে আর উত্তরবঙ্গে পৃথক কামতাপুর এবং গ্রেটার কোচবিহার রাজ্য গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চলছে।

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, জঙ্গলমহলের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ, কেওনঝাড় ও সুন্দরগড় জেলা নিয়ে পৃথক রাজ্য ‘গ্রেটার ঝাড়খণ্ড’ আন্দোলনকে যেমন সক্রিয় করে তোলা হচ্ছে তেমনই উত্তরবঙ্গে পৃথক কমতাপুর এবং গ্রেটার কোচবিহার রাজ্যের আন্দোলনে ফের একত্রিত হয়েছে গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশন এবং কামতাপুর পিপলস পার্টির দু’টি বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী যার মদত দিয়েছেন কামতাপুর লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (কেএলও) প্রধান জীবন সিংহ।

তাঁর নির্দেশে অসমের কোকরাঝাড়, ধুবড়ি, বঙ্গাইগাঁও এবং চিরাংয়ে আন্দোলন তহবিল গড়তে চাঁদা তোলার কাজ চলছে। ইদানীং জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারের অসম লাগোয়া অংশে কাজ শুরু করেছে কেএলও-র কয়েকটি ‘স্লিপার সেল’। যদিও গত কয়েকমাস ধরে এই সংগঠনের স্বঘোষিত প্রধান নির্মল রায় এবং তার সহযোগীরা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রকাশ্যেই পৃথক রাজ্য গড়ার দাবিতে সরব হয়েছে।

২০০০ সাল থেকেই ‘গ্রেটার ঝাড়খণ্ড’ আদায়ের এই আন্দোলনের পুরোধা ছিলেন আদিবাসী কুর্মি সমাজের নেতা অজিত মাহাত। তিনি বলেন, “পৃথক রাজ্যের দাবি আমাদের প্রাণের আন্দোলন। এই দাবি থেকে কখনও সরব না। তবে এখন কারা এই আন্দোলন করতে চাইছে জানি না, তবে আগামী বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মহাজমায়েত ডেকে এই দাবিকে সামনে রেখে মানুষের রায় নেব। তারপরই শুরু হবে আন্দোলন।”

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে