তেলেঙ্গানার রামাপ্পা মন্দির হোক ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ স্থান, ঘোষণা UNESCO -এর

0
107

Priyanka Pal, DNI: দক্ষিণ ভারতে রয়েছে নানান ধাঁচের নানান কারুকার্যের মন্দির যা মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। দক্ষিণ ভারতের বেশিরভাগ মন্দিরের আরাধ্য দেবতা স্বয়ং পরমেশ্বর শিব। ২০১৮ সালে তেলেঙ্গানা সরকারের পক্ষ থেকে তেলেঙ্গানার রামাপ্পা মন্দিরকে মনোনয়ন করা হয় হেরিটেজ কমিটির কাছে। রবিবার ইউনেস্কোর পক্ষ থেকে রামাপ্পা মন্দিরকে ভারতের ৩৯তম ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ স্থান হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

তবে সম্প্রতি ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমেই আলোচনা করা হয়। ২১ জনের মধ্যে থেকে ১৭ জনের সম্মতি এবং আবেদন দেশের এই স্থানকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে বলে জানা যায়। ঘোষণার কিছুক্ষণ পরেই টুইট করে শুভেচ্ছাবার্তা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

তিনি বলেন, “মূর্তিমান রামাপ্পা মন্দিরটি মহান কাকাতিয়া রাজবংশের অসামান্য কারুশিল্পের নিদর্শন। আপনাদের সকলের কাছে অনুরোধ করব এই মহিমান্বিত মন্দিরটি দর্শন করার এবং এর মহিমার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানার।” এরপরই কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী এবং সেকেন্দ্রাবাদের সাংসদ জি কিষাণ রেড্ডি তেলেঙ্গানার তরফ থেকে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

রামাপ্পা মন্দিরের আরাধ্য দেবতা হলেন ভগবান শিব। ১২১৩ সালের প্রাপ্ত একটি শিলালিপি থেকে জানা যায়, কাকাতিয়া জেনারেল রেচারিলা রুদ্র রেড্ডি শাসক গণপতি দেবের শাসনকালে এই মন্দির তৈরি করেছিলেন। এটি সুসজ্জিত ও গ্রানাইট দ্বারা নির্মিত। রামাপ্পা মন্দিরের ভাস্কর্য ৮০০ বছর পরে আজও অক্ষুণ্ণ। সংস্কৃতি মন্ত্রকের সচিব রাঘভেন্দ্র সিংহ জানান, “রামাপ্পা একটি বৃহত্তর প্রাচীরের প্রধানত শিব মন্দির, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি ছোট মন্দির রয়েছে এবং মন্দিরের কাঠামো সর্বাধিক স্তরের সৃজনশীল শৈল্পিক এবং প্রকৌশল প্রতিভাগুলির একটি সাক্ষ্য হিসাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে যা কাকাতিয়া শাসনকালের (১১২৩-১৩২৩) বর্ণবাদী শিল্পসত্ত্বার বাহক। এটি নিঃসন্দেহে কাকাতিয়া সম্প্রদায়ের এক অন্যতম নিদর্শন।”

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে