দক্ষিন ২৪ পরগনার বাজি তৈরির কারখানাগুলিতে শ্মশানের নিস্তব্ধতা, সুপ্রিমকোর্টে আতসবাজি উন্নয়ন সমিতি।

0
33

দক্ষিন ২৪ পরগনার চাম্পাহাটিকে বাজি তৈরির আরত বলা যায়। কালি পূজো, দীবাবলির ঠিক আগের সময়টা বিশাল ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যেত চাম্পাহাটিতে আজ এই বছর সেখানে কোন ব্যস্ততাই দেখা গেল না। হাইকোর্টের নির্দেশে এই বছরও বন্ধ বাজি বিক্রি ও ফাটানো। সুতরাং মাথায় হাত কারখানা মালিক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীদের।

দীপাবলি মানেই আলোর উৎসব।বাজি ফাটানো কালি পূজো, দীপাবলিতে হবে না তা যেন ভাবাই যেত না। কিন্তু সব কিছুই গোলমেলে করে দিয়েছিল করোনার প্রকোপ। আগের বছর কোভিডের কারণে বাজি ফাটানো সম্পূর্ন নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল হাইকোর্ট। ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল প্রায় কয়েক লক্ষ মানুষকে। চাম্পাহাটির এক কারখানার মালিক জানান, এই বছর করোনার সংক্রমন কিছুটা নিয়ন্ত্রনে থাকায় বাজির ভাল বিক্রি এবার হবে বলেই আশা করেছিলেন বাজি কারখানার মালিক ও বিক্রেতারা।সেই মতো তোড়জোড়ও শুরু করেছিলেন।কিন্তু এই বছরও বাজি ফাটানোয় ও বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারী করল হাইকোর্ট।এই নির্দেশের পরেই মাথায় হাত বাজি ব্যবসায়ী ও কর্মীদের।

হাইকোর্টের নির্দেশের বিরুদ্ধে শনিবার সুপ্রিমকোর্টের দারস্থ হয়েছে আতসবাজি উন্নয়ন সমিতি। সমিতির তরফ থেকে বলা হয়েছে এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে প্রায় ৩১ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান জড়িয়ে।তাই তারা আশা রাখছেন দেশের শীর্ষ আদালত সব দিক খতিয়ে দেখে তবেই নির্দেশ দেবেন।

News By Tania and Sudip

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে