দেবাঞ্জনের পর শহরে আরও এক ভুয়ো মুখ্যসচিবের হদিশ, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

0
65

ইতিমধ্যেই ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবের একের পর এক অপরাধের ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে। আর এই ঘটনার রেশ না কাটতে কাটতেই শহরের বুকে উঠে এল ফের এক জালিয়াতির ঘটনা। এবার অভিযোগ উঠল বাপ্পাদিত্য সাহা নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তিনি ভুয়ো মানবাধিকার কমিশনের মুখ্যসচিবের পরিচয় দিয়ে এক যুবকের কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন, এমন অভিযোগেই বাঁশদ্রোণী থানায় তার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগকারী যুবক সৌভিক দেবনাথ হলেন বাঁশদ্রোণীর বাসিন্দা। তার দাবি, স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ মামলার নানা সমস্যা নিয়ে তিনি ওই ব্যক্তির কাছে গেলে তখন বাপ্পাদিত্য নিজের ভুয়ো পরিচয়পত্র দেখিয়ে দাবি করেছিলেন যে, তিনি মানবাধিক কমিশনের মুখ্যসচিব। এমনকী, দেবাঞ্জনের মতো তার বাড়িতেও নীলবাতির গাড়ি দেখতে পান বলে জানিয়েছেন সৌভিক।

তারপরই সৌভিক বাপ্পাদিত্যর কথা মতো ১৫ দিনের মধ্যে বিবাহ-বিচ্ছেদের শর্তানুসারে তাকে বিশ্বাস করে নগদ ২ লক্ষ টাকা দিয়ে আসেন। কিন্তু টাকা জমা দেওয়ার পর মানি রিসিপ্ট দেখেই সন্দেহ হয় সৌভিকের। অভিযোগ, তারপরই বাপ্পাদিত্যের স্ত্রী ডিম্পি সাহা ওই যুবককে বলেন, মানবাধিকার কমিশনের হয়ে কিছু টাকা তাকে তুলে দিতে হবে। অভিযোগকারী জানিয়ে দেন, তিনি ওই কাজ করবেন না। কিন্তু, অভিযুক্ত দম্পতি স্পষ্ট বলে দেন, তবে বিবাহ-বিচ্ছেদ মামলার কোনও রফা করা হবে না। সেই মুহূর্ত থেকে ওই যুবক টাকা ফেরৎ চাওয়া শুরু করলে সাহা দম্পতি রীতিমতো বেঁকে বসেন বলে অভিযোগ।

এরপরই নিজের আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে বাঁশদ্রোণী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই যুবক। অভিযোগকারীর আইনজীবী দাবি করেছেন, মানবাধিকার কমিশনের মুখ্যসচিবের পদে আছে বলে মিথ্যা পরিচয় দিয়েছেন বাপ্পাদিত্য। এমনকী নিজের নিজের স্ত্রী’কেও মানবাধিকার কমিশনের রাজ্য সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন যা আরেকটি ভুয়ো পদ। এই দুই ভুয়ো পদের পর্দাফাঁস করতে এবং প্রতারণার শিকার যুবককে টাকা ফিরিয়ে দিতে উদ্যোগী হয়েছে পুলিশ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে