পশ্চিমবাংলার মানুষকে ক্রেতা সুরক্ষা দফতর চিনিয়েছেন সাধন‌ পান্ডেই, প্রয়ানকালে ভারাক্রান্ত মন মানস ভুঁইয়ার

0
19

পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে ক্রেতা সুরক্ষা দফতর চেনানোর অসাধ্যসাধন করছিলেন সাধন পাণ্ডে। ২০১১ সালের রাজ্যে ক্ষমতাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে নেতৃত্বে যে মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছিল, তাতে স্থান পেয়েছিলেন মানিকতলার বিধায়ক সাধন পাণ্ডে। সেই সময়ই তাঁকে ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের দায়িত্ব দেন মমতা।

Advertisement

১৯৯৯ সালে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে এই দফতরের জন্ম হয়। সেই সময় থেকে কৃষি ও কৃষি বিপণন দফতরের সঙ্গেই কাজ করত এই দফতর। বাম শরিক ফরওয়ার্ড ব্লকের হাতে থাকত ক্রেতা সুরক্ষা দফতরটি। কিন্তু মমতা ক্ষমতায় এসেই ক্রেতা সুরক্ষার বিষয়টিকে পৃথক দফতরের হাতে দেন।

দায়িত্ব হাতে পান বর্ষীয়ান রাজনীতিক সাধন।প্রথম থেকেই কড়া হাতে কাজ শুরু করে দফতরের পরিধি বুঝে নিতে সমস্যা হয়নি তাঁর। রাজ্যের মানুষ কোনও পণ্য কিনে প্রতারিত হলে সহজেই যাতে ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন, সেই ব্যবস্থাও সাধনের আমলেই করা হয়। এমনকি আইন পড়ুয়ারাও এই দফতরের অভিযোগের শুনানিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন সাধনের আমলেই।

প্রসঙ্গত, গত বছর জুলাই মাসে সাধন অসুস্থ হওয়ার পর ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের দায়িত্বে পান সুব্রত মুখোপাধ্যায়। ৪ নভেম্বর তাঁর প্রয়াণের পর আপাতত দফতরের দায়িত্বে মানস ভুঁইয়া ও প্রতিমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা।

সাধনের উদ্যোগে এই দফতরের প্রসার প্রসঙ্গে মানস বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমতায় এসে ক্রেতা সুরক্ষা দফতরকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তার দায়িত্ব সাধনদাকে দিয়েছিলেন। তিনি তাঁর কর্মদক্ষতা ও তৎপরতা দিয়ে সেই দফতরকে সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছিলেন। আমি দফতরের কাজ করতে গিয়ে বারবার তাঁর করে যাওয়া কাজের প্রমাণ পেয়েছি।”

Advertisement

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে