পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে কড়া ব্যবস্থা নিলেন মুখ্যমন্ত্রী! জেনে নিন বিস্তারিত

0
17

এক মাসের মধ্যে পরপর ঘটে যাওয়া চারটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেন মমতা। আনিস খানের মৃত্যু, ঝালদায় কংগ্রেসের কাউন্সিলারকে হত্যা, পানিহাটিতে তৃণমূল কাউন্সিলার খুন এবং রামপুরহাটের তৃণমূল উপপ্রধান খুন ও বাড়িতে আগুন লাগিয়ে আটজনকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় স্থানীয় থানার পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

বীরভূমের বগটুইয়ে গিয়েছিলেন মমতা। সেখানে গ্রামবাসীরা পুলিশের একাংশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ করেন। মমতাও তাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এরপর রামপুরহাট থানার আইসি ত্রিদীপ প্রামাণিক ও মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) সায়ন আহমেদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

আনারুল হোসেন ছিলেন রামপুরহাট ১ ব্লকের তৃণমূল সভাপতি। এলাকায় দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা বলে পরিচিত। বগটুইতে গিয়ে মমতা বলেন, আনারুলকে হয় আত্মসমর্পণ করতে হবে, নাহলে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে। এরপর পুলিশ একটি হোটেল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী বগটুই গ্রামে গেলেও ভাদু শেখের বাড়িতে যাননি। ভাদু শেখ ছিলেন তার দলের নেতা। এর ফলে ভাদু শেখের স্ত্রী কেবিনা বিবি ক্ষুব্ধ। তার বক্তব্য, ‘‘তৃণমূল করতে গিয়েই আমার স্বামী খুন হয়েছে। ভেবেছিলাম মুখ্যমন্ত্রী আমাদের বাড়িতে আসবেন। কেন তিনি এলেন না আমি জানি না।’’ ভাদুর বাবা মারফত শেখ বলেছেন, ‘‘১৭টি গ্রামের মাথা ছিল আমার ছেলে। বখরার ভাগ দিতে পারেনি বলেই সে খুন হয়ে গেল!’’

Advertisement

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে