বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, এক সপ্তাহের জন্যে বন্ধ হল শিলিগুড়ির ফুলেশ্বরী বাজার

0
69



প্রিয়াঙ্কা পাল, DNI: দক্ষিণবঙ্গে করোনা সংক্রমণ কিছুটা কমলেও উত্তরবঙ্গে করোনা সংক্রমণের হার আবার ঊর্ধ্বমুখী। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আক্রান্তের শীর্ষে রয়েছে দার্জিলিং। ফলে ফের কোভিডের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ দেখে প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ। তাই করোনা সংক্রমণে হ্রাস টানতে ফের কড়াকড়ি শুরু করেছে পুলিশ প্রশাসন। ইতিমধ্যেই শহর শিলিগুড়িতে বেশ কিছু জায়গা বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। আজ সোমবার থেকে টানা সাতদিন বন্ধ করা হল শিলিগুড়ির ফুলেশ্বরী বাজার। ওই ওয়ার্ডে করোনার প্রকোপ বেশি থাকায় এইরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

শিলিগুড়ি মিউনিসিপাল কর্পোরেশন এবং শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনারের উদ্যোগ এবার বন্ধ করা হল ফুলেশ্বরী বাজার। বর্তমানে ওই এলাকায় সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। তাই প্রশাসনের এই উদ্যোগ। গতকাল, রবিবারে শহর শিলিগুড়ির বিভিন্ন বাজারে ছিল একাধিক মানুষের ভিড়। দূরত্ব বিধি মানার কোনকিছুই চোখে পড়েনি। তবে ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের একটা অংশের মধ্যে মাস্ক পরার অভ্যেসটা নজরে পড়েছে। কোভিড বিধি না মেনে চললে সংক্রমণ আরও বাড়বে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি পুর প্রশাসক গৌতম দেব জানিয়েছেন, কোভিড নিয়ন্ত্রণে এবার থেকে শহরের এক একটি বাজার সপ্তাহে একদিন করে বন্ধ থাকবে। বাজার বন্ধের দিনে চলবে পুরো স্যানিটাইজেশন প্রক্রিয়া। করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলায় শহরজুড়ে পুলিশি তৎপরতাও বেড়েছে। নৈশ কার্ফুতে আরও বেশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলেছেন তিনদিন বাজার খোলা রেখে একদিন বন্ধ করতো অথবা মাস্ক ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে কাজ করতো। তা না করে টানা এক সপ্তাহ বাজার বন্ধ করল প্রশাসন। এর ফলে সমস্যা হচ্ছে সকল ব্যবসায়ীদের। যারা কাঁচামাল বিক্রি করত যেমন মাছ এবং মাংসের দোকান তারা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। যারা বাজারে বসেন তাদের রুটি রুজির কোনো চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তারা। সরকারের উচিত জনসাধারণের পাশে থাকা। কিন্তু তারা সেটা না করে ব্যবসায়ীদের ক্ষতির সম্মুখে ফেলে দিচ্ছেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে