Strike taxi বাসের সংখ্যা কম তার মধ্যে ধর্মঘট ট্যাক্সি সংগঠনের; হটাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত?

0
28
Strike taxi বাসের সংখ্যা কম তার মধ্যে ধর্মঘট ট্যাক্সি সংগঠনের; হটাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত?

Ritika Roy, DNI: প্রতিদিন নিজের রেকর্ড ভেঙে নতুন করে বেড়ে চলেছে জ্বালানির মূল্য। পেট্রো পণ্যের এইরকম মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ পড়েছেন বিপাকে। মধ্যবিত্তের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ। পেট্রোল, ডিজেল থেকে শুরু করে রান্নার গ্যাসের আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে সামিল হয়েছে একাধিক বিরোধী দল। তবুও এর কোনো সমাধান হয়নি। কলকাতায় পেট্রোল মূল্য ১০০ ছুঁয়ে ফেলেছে। ডিজেলের দামও কখন একশত ছুঁয়ে ফেলে তাই এখন দেখার। রাজ্য জুড়ে কার্যত লকডাউনের মধ্যেই মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। ফলত, সরকার বাস চালানোর অনুমতি দিলেও বেসরকারি বাস চালাতে রাজি ছিলেন না বাস মালিক সংগঠন। তারা সরকারকে জানিয়েছিলেন, লকডাউনের মধ্যে একই অনেক ক্ষতি হয়েছে, আবার যে হারে পেট্রো পণ্যএর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে তাতে আগের ভাড়ায় বাস চালানো তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

তবুও সরকার সাধারণ মানুষের কথা ভেবে বাস চালাতে অনুরোধ করলে তারা সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে নেয়। ১ জুলাই থেকে বেসরকারি বাস পরিষেবা ধীরে ধীরে শুরু হয়। তবে শুধু বাস পরিষেবাই নয়, সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে ট্যাক্সি, অ্যাপ ক্যাব। পেট্রোল ও ডিজেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে ট্যাক্সি, অ্যাপ ক্যাব পরিষেবা চালিয়ে নিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে বলে তারা জানিয়েছে। তাই মূল্যবৃদ্ধির দাবিতে আজ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে রাজ্যের ট্যাক্সি  এবং অ্যাপ ক্যাব সংগঠন৷

এমনিতেই গতবছর থেকে ধাপে ধাপে লকডাউনের ফলে মন্দার বাজার চলছে ট্যাক্সি, অ্যাপ ক্যাবের৷ তার মধ্যে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এখন যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে হলুদ ট্যাক্সি-সহ অ্যাপ ক্যাবগুলির ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে রাজ্যজুড়ে ২৪ ঘণ্টা এই পরিবহন ব্যবস্থা ব্যবস্থা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ যৌথ ভাবে এই সিদ্ধান্তটি নিয়েছে “ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্যাক্সি অপারেটর্স কোঅর্ডিনেশন কমিটি” এবং “অ্যাপ ক্যাব অপারেটর্স ফোরাম” ৷ লকডাউন, পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি, গাড়ির ইএমআই সব মিলিয়ে বিপর্যস্ত ট্যাক্সি, অ্যাপ ক্যাব মালিক-সহ চালকরা৷ সংসার চালানো দুষ্কর হয়ে উঠছে তাদের কাছে। তবুও ট্যাক্সি, অ্যাপক্যাব চালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা৷ এই সমস্যার সমাধানে একাধিকবার কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে চিঠি দিলেও মেলেনি কোনো সদুত্তর।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে