বিনয় মিশ্রের মতো সহজেই দ্বীপপুঞ্জ ভানুয়াটুর নাগরিকত্ব লাভ, কীভাবে পেতে পারেন জেনে নিন

0
96

দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের কোলে সবুজে ঘেরা এক দ্বীপরাষ্ট্র হল ভানুয়াটু। এই নামটার সাথে হয়তো অনেকেরই পরিচয় নেই তবে হঠাৎই এই নামটি বাংলার সাথে জুড়ে গিয়েছে কারণ এই অজানা ভানুয়াটুতেই কয়লা ও গরু পাচারকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত বিনয় মিশ্র আত্মগোপন করেছেন ও ১ লক্ষ ৩০ হাজার ডলার খরচ করে সেখানকার নাগরিকত্ব কিনেছেন। যার ফলে মানুষের মধ্যে ভানুয়াটুকে ঘিরে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের আগ্রহ বেড়েছে যে ভানুয়াটু ঠিক কি, কেমন তার পরিবেশ বা কীভাবেই পাওয়া যায় এই দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকত্ব।

অনেকটা ইংরাজি অক্ষর ‘Y’-এর মত ৮০ থেকে ৮৩টি দ্বীপের সমন্বয়ে তৈরি এই ভানুয়াটু দ্বীপপুঞ্জ যার ৬৫ টিরও বেশি দ্বীপে মানুষের বসবাস। অর্থনৈতিক ভাবে খুব একটা স্বচ্ছল না হলেও এখানে পর্যটন ব্যবসার বেশ রমরমা। ভারতীয় মুদ্রায় ৯৫ লক্ষ টাকার আশেপাশে ও অত্যন্ত কম সময় এখানকার নাগরিকত্ব পাওয়া যায়। প্রথম ধাপে নমিনেশন ফর্ম, পরিচয়পত্রের জেরক্স, পাসপোর্ট, জন্মসূত্রে যে দেশের নাগরিক সেখানকার পুলিশ রেকর্ড, সিভি, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও এমপ্লয়মেন্ট হিস্ট্রি জানাতে হয়। পরবর্তী ধাপে নমিনেশন ফর্মের পুরোপুরি ডকুমেনটেশন, জন্মপঞ্জী, মেডিক্যাল শংসাপত্র, ব্যাঙ্কের তথ্য সহ ৮ কপি ছবি জমা দিতে হয়। তবে আবেদনের সময় আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছরের বেশি এবং ৬৫ বছরের কম হতে হবে।

এখানকার নাগরিকত্ব লাভে দিতে হয় না কোনওরকম ভাষার পরীক্ষা। থাকা কিংবা আয়ের জন্য কোনও রকম কর দিতে হয় না। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রেও সবরকম স্বাধীনতা পাওয়া যায়। বিনিয়োগের মাধ্যমে এখানকার নাগরিক হতে নিজের দেশের সকল নথি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নতুন নাগরিকত্ব নিতে হয় না। শুধু আয়করে ছাড়ই নয়, এ দেশের নাগরিকত্ব থাকলে ১৩০টি দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা যায়। এর মধ্যে রয়েছে সেঙ্গেন স্টেট, গ্রেট ব্রিটেন, হংকং, সিঙ্গাপুর। সুতরাং, এটাই স্পষ্ট যে অর্থের ছলছলানি থাকলে সেখানকার নাগরিকত্ব পাওয়া কোনও বড় ব্যাপারই না।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে