সমুদ্রে মিলল বিরল প্রজাতির ভৌতিক শার্ক! কতটা ভয়ানক এই প্রাণী? জানুন বিস্তারিত

0
163

স্যোশাল মিডিয়ায় মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন ধরনের ভিডিও ভাইরাল হয়। তাতে কখোনো থাকে হাসিমজার খোড়াক, আবার কখোনো তত্বভিত্তিক জ্ঞান। আর তা দেখে দর্শকমহল সমাদৃত হয়।

Advertisement

পশুপাখিদের মজাদার কার্যকলাপ খুব সহজেই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, যার ফলে এইধরণের ভিডিও কমসময়েই ট্রেন্ডিং ভিডিওতে পরিনত হয়। কথা বলা পাখি থেকে শুরু করে ফুচকা খাওয়া গরু কিংবা ফুটবল খেলা গাধা, কিছুই বাদ যায় না।

সম্প্রতি এক অবিশ্বাস্যকর প্রাণীর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, আর তা‌-ই ভাইরাল হয়েছে স্যোশাল মিডিয়ায়। পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের প্রাণী আছে, যাদের অনেকের নাম মানুষের জানা নেই। অনেক প্রাণী গভীর সমুদ্রে থাকে। সেই প্রাণীগুলো খুবই বিরল প্রকৃতির। বিজ্ঞানীরা সেইসব প্রাণীকে দশকের পর দশক খুঁজে বেরান।

সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের এমন কিছু প্রাণীর সন্ধান বিজ্ঞানীরা পেয়েছেন , যেটি সমুদ্রের ১২০০ মিটার গভীরতায় পাওয়া গেছে। এই প্রজাতির নাম ঘোস্ট হাঙর। এটির বৈজ্ঞানিক নাম হল সেটি হলো চিমেরাস। এটি দক্ষিণ পূর্ব উপকূল থেকে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করার সময় পেয়েছেন। এই প্রজাতি হাঙ্গর সাধারণত ১৮২৯ মিটার গভীরতাই পাওয়া যায়।

বিজ্ঞানীরা এই ঘোস্ট হাঙর সম্বন্ধে বিশেষ কিছু জানার নেই। কারণ এটি খুবই বিরল প্রজাতির। এটার সম্বন্ধে বলতে গেলে বিজ্ঞানীদের অনেক গবেষণা করার প্রয়োজন আছে। এই হাঙরের দেহের দৈর্ঘ্য ১.৫ মিটার পর্যন্ত হয়। এই বেবি হাঙর বলা হয়ে থাকে। এই শার্কের চোখ বড় এবং কালো হয়। এছাড়াও এটির একটা কালো পাখনা এবং সাদা লেজ রয়েছে।

এই হাঙরের মাথা অনেক বড়। সেই কারণে এই হাঙরকে ইঁদুরের মাছ, খরগোশ মাছ, হাতি মাছ এবং ভুতুড়ে মাছ নামেও এটাকে পরিচিত। এটার চামড়া মূলত স্বচ্ছ প্রকৃতির হয়। বিজ্ঞানীরা এই প্রজাতির হাঙর আগে গবেষণা করেননি। এই প্রজাতির পাওয়া যাওয়ার পর বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই হাঙরের দ্বারা সাগরের গভীর রহস্য জানা যাবে।

Advertisement

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে