সুন্দরবন রক্ষায় লড়ছেন ‘ম্যানগ্রোভ ম্যান’

0
32



Priyanka Pal, DNI: ম্যানগ্রোভ কমে যাওয়ায় অরক্ষিত হয়ে পড়ছে সুন্দরবনের বহু জনপদ। তাই সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বাঁচাতে ১০ বছর ধরে লড়াই করছেন এক ভূগোল শিক্ষক। নদীর জলে ভেসে আসা ম্যানগ্রোভের বীজ সংগ্রহ করে লক্ষাধিক চারাগাছ তৈরি করেছেন এই ভূগোল শিক্ষক, উমাশঙ্কর মণ্ডল। সুন্দরবনের এক প্রত্যন্ত গ্রামে বাড়ি তার। পেশায় শিক্ষক হলেও সবাই তাকে ‘ম্যানগ্রোভ ম্যান’ নামেই চেনে।

ম্যানগ্রোভ রোপণ এবং পরিচর্যার জন্যে ৪২ বছরের উমাশংকর ‘পূর্বাশা ইকো হেল্পলাইন সোসাইটি’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গড়ে তুলেছেন৷ ২৬ জুলাই আন্তর্জাতিক ম্যানগ্রোভ দিবসে উমাশঙ্কর মন্ডলের ‘পূর্বাশার’ সাথে সোহম মন্ডলের, কলকাতার চলো পাল্টাই ফাউন্ডেশনের যৌথ প্রচেষ্টায় ১০০০০ ম্যানগ্রোভ চারা রোপন করা হয় সুন্দরবনের সোঁনাগা ও কাঁকমারি দ্বীপে। শুধু ১০০০০ ম্যানগ্রোভ নয়, ম্যানগ্রোভ ম্যান উমাশঙ্কর মন্ডল প্রায় ১২ বছরে ৬ লক্ষরও বেশি ম্যানগ্রোভ রোপন করেছেন।

এই ম্যানগ্রোভ রোপনের কাজ করেন ওখানকার গ্রামের মহিলারা এবং পারিশ্রমিক হিসাবে পান খাদ্যসামগগ্রী, স্যানিটারি ন্যাপকিন, বস্ত্র ইত্যাদি। এছারাও সেদিন বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যোগ দেয় এই রোপণ কাজে। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবনের অক্সিজেন ম্যান সৌমিত্র মন্ডল ও কলকাতার প্যাড ম্যান শোভন মুখার্জী।

চলো পাল্টাই ফাউন্ডেশন কলকাতা সংস্থার তরফ থেকে সোহম মন্ডল বলেছেন, ম্যানগ্রোভ ম্যান উমাশঙ্কর মন্ডলের এই প্রয়াসে চলো পাল্টাই ফাউন্ডেশন, কলকাতা পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। প্রতি বছর ১০০০ ম্যানগ্রোভ লাগানোর দায়িত্ব নিয়েছে তার সংস্থা চলো পাল্টাই ফাউন্ডেশন, এমনই জানিয়েছেন তিনি। আর চলো পাল্টাই ২০১১ সাল থাকে যে ভাবে কলকাতাতে কাজ করছে সেইভাবেই কাজ করে যাবে এবং মানুষের পাশে দাঁড়াবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে