‘স‌ই দিয়ে যায় চেনা’, আসল প্রার্থীতালিকা কোনটি তা বোঝার উপায় পার্থ-সুব্রতর সই দেখে

0
17

সই দিয়েই চিনে নিতে হবে ‘আসল’ প্রার্থিতালিকা! তৃণমূলের প্রার্থিতালিকায় বিভ্রাট কাটাতে এমনই উদ্যোগ নিয়েছিলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। শুক্রবার ভবানীপুরের দলীয় অফিসে প্রার্থিতালিকা সংবাদমাধ্যমকে দেখানো হলেও, তা হাতে দেওয়া হয়নি।

Advertisement

এদিন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সাংবাদিক বৈঠক শেষ হওয়ার ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই ১০৭টি পুরসভায় প্রার্থিতালিকা দলীয় নেটমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এরপরেই ঘটে বিভ্রাট, তড়িঘড়ি সংবাদমাধ্যমে পার্থ জানিয়ে দেন, এআইটিসি-র সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত তালিকা সঠিক নয়, কারণ সেগুলিতে কোনও সই নেই।

স্পষ্টভাবে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করা না হলেও, ইঙ্গিত করা হয় তৃণমূলের পরামর্শদাতা তথা ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের বিরুদ্ধে। তবে শনিবার প্রশান্তর সংস্থা সূত্রে দাবি করা হয়, রাজ্যে পুরভোটের সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্কই নেই। ওই পুরভোটের জন্য প্রকাশিত কোনও প্রার্থিতালিকার সঙ্গে তারা জড়িত নয়।

তবে সংস্থার তরফে সরকারি বা আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও দাবি ওই মর্মে করা হয়নি। কিন্তু তার আগে শুক্রবার রাতেই ‘সঠিক’ তালিকা পাঠানোর কাজ শুরু করে দিয়েছিলেন তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। এ ক্ষেত্রে একসঙ্গে তালিকা না পাঠিয়ে পৃথক ভাবে প্রত্যেক জেলাভিত্তিক তালিকা পাঠানের সিদ্ধান্ত নেন তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। দ্বিতীয় বার পাঠানো তালিকার প্রতিটি পাতায় দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত ও বক্সী ও মহাসচিবের স্বাক্ষর করার সঙ্গে দলীয় রাবারস্ট্যাম্প লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই মতোই প্রত্যেক জেলার পৃথক তালিকা তৈরি করে স্বাক্ষর করেন পার্থ-বক্সী, লাগানো হয় দলের রাবারস্ট্যাম্প।

সূত্রের খবর, তালিকা পাঠানোর আগে কোনও জায়গায় সইসাবুদ বাদ রয়েছে কিনা, তা বার বার দেখে নেওয়া হয়। সঙ্গে প্রত্যেক জেলা সভাপতিকে রাজ্য নেতৃত্ব ফোন করে জানিয়ে দেন দলীয় নির্দেশের কথা। দলের দুই শীর্ষ নেতার স্বাক্ষর করা তালিকাই যে স্বীকৃতি তালিকা, তা-ও বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।

Advertisement

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে