বাঁকুড়ার পলাশতলা মহাশ্মশানে মৃতদেহ সৎকার্যকে ঘিরে গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি

0
101
বাঁকুড়ার পলাশতলা মহাশ্মশানে মৃতদেহ সৎকার্যকে ঘিরে গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি

বাঁকুড়া জেলায় বেশ কয়েকটি ছোট-বড় নদ-নদী রয়েছে। এগুলির মধ্যে জেলা শহর ঘেঁষে বয়ে যাওয়া গন্ধেশ্বরী ও দারকেশ্বর অন্যতম। অন্যান্য নদীর মতনই গন্ধেশ্বরী নদীকে ঘিরে গড়ে উঠেছে প্রাচীন জনপদ ও নগরসভ্যতা। এই নদীর তীরে গড়ে উঠেছে শিউলিবনা, গোগড়া, কাঁটাবনি, চামড়া, দুলালকুড়ির মতো অসংখ্য ছোট গ্রাম। এছাড়াও গন্ধেশ্বরী নদীর তীরে পলাশ ও অন্যান্য ফুলের গাছের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভরা, মন শান্ত করে দেওয়া একটি জায়গার নাম হল পলাশতলা মহাশ্মশান।

পলাশতলা মহাশ্মশানে সু-প্রাচীন এবং বাঁকুড়া শহর ও গ্রামের ঐতিহাসিক ঐতিহ্যবাহী একটি হিন্দু সৎকার্য করার পীঠস্থান। বর্তমানে করোনা মহামারীতে তার ভূমিকা অপরিসীম। তবে করোনা সংক্রমণ নিয়ে আতঙ্কিত থাকার দরুণ আশেপাশের মানুষের মধ্যে ভয়ের সৃষ্টি হয়েছে। কোনোরকম অনুমতি ছাড়াই যে কেউ এসে রাতের অন্ধকারে বা দিনের আলোয় দাহ করে দিয়ে চলে যাচ্ছে। কোনোরকম নিয়মকানুন না মেনে চারপাশ নোংরা করে দিয়ে চলে যাচ্ছে। শ্মশানের পাশে বসতি গড়ে ওঠায় গ্রামবাসীরা অনেক সমস্যায় পড়ছেন এবং সংক্রমণের ভীতি আরও বেড়েই চলেছে। এছাড়া পরিবেশের উপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে ও পরিবেশ থেকে শুরু করে পুরো এলাকা দূষিত হচ্ছে।

তাই জেলার সম্পাদক হিসেবে বাপী মালাকার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়ে বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সদস্য সম্মানীয়া সোনাই মুখার্জী, বাঁকুড়া পৌরসভা, বাঁকুড়া – ২ ব্লক, জুনবেদিয়া গ্রামের পঞ্চায়েতের কাছে আবেদন জানাচ্ছেন:-

১. দিন বা রাতের যেকোনো সময়ে দাহ করার আগে নাম নথিভুক্তকরণের ব্যবস্থা চালু করা হোক।
২. দাহ করার আগে উন্নতমানের পরিকাঠামো ব্যবস্থা প্রদান করা হোক।
৩. দীর্ঘদিনের দাবি মহাশ্মশানের চারিপাশে বাউন্ডারি ওয়াল করে দেওয়া হোক যাতে গ্রামবাসীদের সমস্যার সম্মুখীন না হতে হয়।
৪. শ্মশান যাত্রীদের জন্য শৌচাগারযুক্ত-বিশ্রামাগার আর পানীয় জলের দ্রুত ব্যবস্থা করা হোক।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে