‘মানুষ মানুষের জন্য’ কথাটি আবারও প্রমাণ করল ইচ্ছেপুরণ সবার সাথী সংগঠনের নবীন সদস্যরা

0
316
‘মানুষ মানুষের জন্য’ কথাটি আবারও প্রমাণ করল ইচ্ছেপুরণ সবার সাথী সংগঠনের নবীন সদস্যরা

পশ্চিমবঙ্গ সহ গোটা দেশ জুড়ে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মানুষের ভালো থাকার ইচ্ছাকে বাস্তবায়িত করার কাজে নেমে পড়েছে ‘ইচ্ছেপুরণ সবার সাথী’ সংগঠন। সংগঠনের সদস্যরা প্রায় সবাই নবীন প্রজন্মের ছেলেমেয়ে। সবারই বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। বিডন স্ট্রিটের ‘ইচ্ছেপূরণ’-এর এই চিন্তাধারাকে সম্মান জানাচ্ছেন সাধারণ জনগণ।

সংগঠনের সভাপতি অরিজিৎ দত্ত জানালেন, বিগত বছরের মতো এবছরও তাদের সংগঠন এগিয়ে এসেছে সাধারণ মানুষকে সাহায্য করার জন্য। তবে তাদের ইচ্ছা আরও বিপুল মানুষজন এগিয়ে আসুক তাদের সঙ্গে, যাতে তারা আরও বড়ো ভাবে সমস্ত কাজ করতে পারেন।

‘মানুষ মানুষের জন্য’ কথাটি আবারও প্রমাণ করল ইচ্ছেপুরণ সবার সাথী সংগঠনের নবীন সদস্যরা



১. এই মহামারির সময় বহু মানুষ অভাবের কারণে খেতে পারছেন না এমনকি বহু লোকের চাকরি চলে গেছে এই লকডাউনের ফলে। তাদের বাড়িতে বিনামূল্যে খাবার পৌঁছে যাচ্ছে দু’বেলা।
২. তবে খাবার পেতে হলে আগের দিন জানাতে হবে। উত্তর কলকাতার শোভাবাজার, হাতিবাগান, গিরিশ পার্ক প্রভৃতি অঞ্চলের মানুষজন পাবেন বিনামূল্যে খাবার। প্রতি দিনের মেনুতে থাকছে ভাত, ডাল, আলুভাজা, সবজি, ডিম/মাংস, টকদই। আর রাতের বেলায় রুটি, সবজি, মিষ্টি।
৩. রবিবার থেকে তারা নিমতলাঘাট স্ট্রিট থেকে বাগবাজার ঘাট অবধি বস্তি এলাকার প্রায় ২০০ জন মানুষকে দেবেন বিনামূল্যে খাবার দেবেন বলেও জানা যাচ্ছে।
৪. এছাড়াও সপ্তাহে এক-দুইদিন করে বাচ্চাদের ড্রাই ফ্রুটস সহ নানান খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করছে।
৫. গতবছর আম্ফানের সময়ও এরা সাধ্যমত মানুষের পাশে থেকে সকল মানুষের প্রয়োজন মিটিয়েছে।
৬. সারা বছরই এই সংগঠন নানা মানবিক কাজের জন্য মানুষের পাশে থাকে সে পুজোর সময় নতুন জামা দেওয়া হোক কি শীতের সময় কম্বল বিতরণ।

এভাবেই যদি নতুন প্রজন্ম চিন্তাভাবনা করে ও মানুষের উদ্দেশ্যে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় তাহলে আমাদের রাজ্য তথা পৃথিবী এক নতুন নজির গড়ে তুলবে। নতুন জাগরণে জাগরিত হয়ে ধরিত্রীকে করে তুলবে আরও সুন্দর।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে