জাতি-ধর্ম- বর্ণ ভুলে এগিয়ে আসুন সমিল্লিত রক্তদানে

0
57

১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবসের মূল উদ্দেশ্য হল স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদানকারী সকল মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও জনসাধারণকে রক্তদানে উৎসাহিত করা। ২০০৪ সালে প্রথম পালিত হয়েছিল বিশ্ব রক্তদাতা দিবস। উন্নত দেশে বেশিরভাগ রক্তদাতাই সামাজিক দায়বদ্ধতায় স্বেচ্ছায় রক্তদান করে থাকেন। আবার কিছু মানুষ পেশা, অর্থ বা ভাতার বিনিময়ে রক্তদান করেন।

রক্তদানের আগে রক্তদাতার কয়েকটি বিষয়ে লক্ষ রাখা আবশ্যিক। রক্তদাতাদের ক্ষেত্রে বয়স, ওজন সঠিক হতে হবে। শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ হতে হবে। রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ, ব্লাড প্রেশার ও শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে হবে। উপযুক্ত বয়সের এবং সুস্থ মানুষের দেহ থেকে ২৫০ সি.সি রক্ত এক বারে টেনে নেওয়া যায়। এতে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না। ঘাটতি রক্ত সাত দিনেই পূর্ণ হয়ে যায় ও রক্তদান করলে শরীর সুস্থ ও সতেজ থাকে।

শুভ চেতনা সম্পন্ন মানুষের কাছে তাই রক্তদান এক মহৎ কার্য। ১৯২৫ সালে কলকাতায় শুরু হয় রক্তদান সঞ্চালনের কাজ। এখন বিভিন্ন ক্লাবে, কলেজে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রক্তদান শিবির হয় যেখানে যুবক যুবতীরা স্বেচ্ছায় এগিয়ে এসে রক্তদান করেন। তবে বর্তমানে প্রয়োজনের তুলনায় রক্তের পরিমাণ স্বল্প। তাই রক্তদানের প্রচার আরও বাড়াতে হবে। মানুষকে সব দ্বিধা কাটিয়ে এগিয়ে আসতে হবে এবং অপরজনকেও রক্তদানে অনুপ্রাণিত করতে হবে। এর চাইতে বড়ো পুণ্যের কাজ আর কিছুই নেই আর তাই হয়তো রক্তদানের অপর নাম জীবনদান।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে