সময়কে ধরে রেখেছে সেই ঐতিহাসিক ঘড়ি

0
49



Ritika Roy, DNI: পর্যটকদের জন্য খিদিরপুর ডকে নতুন ঘোরার জায়গা তৈরি করতে চলেছেন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দর কর্তৃপক্ষ। আর এই বন্দর-পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণ-কেন্দ্র হতে চলেছে ১২২ বছরের পুরনো ‘ক্লক টাওয়ার’ বা ঘড়ি মিনার। এরমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। নতুন সাইটের পাশাপাশি একটি ছোট জাদুঘর তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। বন্দর সূত্র জানিয়েছে, ধাপে ধাপে কাজটি শেষ হবে। ইভেন্টগুলির প্রবাহ অনুযায়ী, বন্দর কর্তৃপক্ষ ২০১৬ থেকে হেরিটেজ ট্যুরিজম শুরু করেছিল।এই সফরে একটি ভাল প্রতিক্রিয়া ছিল। তবে সেই যাত্রাটি বর্তমানে করোনার কারণে বন্ধ। আর বন্দর কর্তৃপক্ষ এই ফাঁকা সময়কেই বেছে নিয়েছেন বন্দর-পর্যটনে নতুন মাত্রা যোগ করার জন্য।

বন্দরের কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, খিদিরপুর লকগেটের প্রবেশপথে থাকা সংশ্লিষ্ট ঘড়ি মিনারের আলাদা ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। বন্দর নথি বলছে ঘড়ির টাওয়ারটি ১৮৯৯ সালে নির্মিত হয়েছিল। তৈরির ইতিহাসও আশ্চর্যজনক।এখন যেমন বিভিন্ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে, ‘গ্লোবাল টেন্ডার’ ডাকা হয়, যার মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন এজেন্সি বাছাই করা হয়, তখন তেমন কিছুর প্রচলন ছিল না। ।বন্দরের হেরিটেজ পরামর্শদাতা গৌতম চক্রবর্তীর কথায়, ‘‘ফলে ঘড়ি মিনারটি তৈরির জন্য যখন ‘গ্লোবাল টেন্ডার’ ডাকা হয়েছিল, তৎকালীন সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে সেটা ছিল একটা উল্লেখযোগ্য ঘটনা। দরপত্রে নির্বাচিত হয়েছিল কুক অ্যান্ড কেলভি সংস্থা। সাড়ে চার হাজার টাকার বিনিময়ে তারাই ঘড়িটি তৈরি করেছিল।’’ তথ্য বলছে, সেই সময়ে কলকাতায় কুক অ্যান্ড কেলভি-র অফিসও ছিল। লন্ডন থেকে আসত ঘড়ির যন্ত্রাংশ। সেই সব এখানে একত্রিত করা হত। বন্দর ছাড়াও কুক অ্যান্ড কেলভি সংস্থার তৈরি ঘড়ি এখনও শহরের একাধিক জায়গায় আছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে