নৈশ্যভোজ অর্থাৎ রাতের খাবার কখন খাওয়া উচিৎ?

0
53


রিতিকা রায়, DNI: কেউ রাতের খাবার খায় সন্ধ্যে ৭টাই। কোনও পরিবারে রাতের খাবার খাওয়া হয় ১০টায়। কেউ আবার রাত দেড়টার আগে খাওয়ার সময় পান না। খাওয়ার সময় এ ভাবেই ক্ষেত্র বিশেষে আলাদা। নিজের কাজ ও ব্যক্তিগত পছন্দের নিরিখেই মূলত ঠিক করা হয় নৈশভোজের সময়। যাঁরা রোজ সকাল ৯টা থেকে ৬টা পর্যন্ত কাজ করেন, তাঁরা কোনও ভাবেই বিকেল ৫টায় নৈশভোজের কথা ভাবতে পারেন না। যদি সুযোগ থাকে, তবে তাঁরা চাইবেন কি এমনটা?

বিকেল ৫টায় খেয়ে নেওয়ার সুবিধা কী?
সূর্যাস্তের আগে হজমশক্তি ভাল হয়ে থাকে। সে কারণেই ভারী খাবার সব খেয়ে নিতে বলা হয় অন্ধকার হওয়ার আগেই। বাঙালিদের মধ্যে সে অভ্যাস বিশেষ দেখা না গেলেও দেশের অন্যান্য কিছু প্রদেশে সন্ধ্যের মুখে সবাই রাতের খাবার খেয়ে নেই।

এ বার ভাবতে পারেন সন্ধ্যের আগে যদি নৈশ্যভোজ করা হয় তাহলে মধ্যাহ্নভোজ কখন করা উচিত? বিজ্ঞানীরা বলেন, দুপুর ১২টার আগেই তা-ও সেরে ফেলা দরকার। তবে রাতের খাবারও তাড়াতাড়ি খাওয়া সম্ভব হবে।

ঠিক ঘুমোতে যাওয়ার আগে ভারী খাবার খেলে হজমের গোলমাল হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ঘুমেরও ক্ষতি হতে পারে তাতে। তা ছাড়া, ওজন বাড়ার আশঙ্কাও দেখা দেয়। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত তিন ঘন্টা আগে খাবার খাওয়া উচিত।

আর এমনভাবে নিয়ম রক্ষা করা কী যায়? রাতে কিছু না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়বেন কি? একেবারেই এমন করবেন না। বরং এমন কিছু খাবার বেছে নেওয়া উচিত, যা পেট ভার করে না। কিন্তু তাতে থাকতে হবে খাদ্যের প্রয়োজনীয় উপাদান।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে