গরীবের নেহা কক্কর বলে মানালি কে তোপ নেটিজেনদের! ‘ধুলোকণা’ এখন ধুলোবালির মতোই দুচ্ছাই পাচ্ছে স্যোশাল মিডিয়ায়

0
27

দীর্ঘদিন পর ছোটোপর্দায় মানালির কামব্যাকে ‘ধুলোকণা’র প্রতি প্রত্যাশা বেড়ে গিয়েছিল দর্শকদের। সঙ্গী ইন্দ্রাশিষের সঙ্গে টেলিপাড়ার তাবড় অভিনেতাদের সংযোজনে কার্যত চাঁদের হাট ধুলোকণা পরিবার। শুরু থেকেই লড়াইটা কঠিন ছিল লালন-ফুলঝুরিদের। কারণ বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বী টিআরপি র প্রথম স্থান ধরে রাখা ‘মিঠাই’। আর এর মাঝেই ট্রোলের মুখে পড়ল ফুলঝুরি।

Advertisement

বস্তির দুই ছেলে-মেয়ে লালন আর ফুলঝুরির জীবনযুদ্ধের গল্প ‘ধুলোকণা’। বস্তির ছেলে লালনের স্বপ্ন বড় গায়ক হওয়ার, সে নিজে গান বাঁধে, গান গায়। তবে পেশায় ড্রাইভার, যে বাড়িতে ড্রাইভিং-এর চাকরি নেয় সে সেখানেই পরিচারিকার কাজ করে ফুলঝুরি। ঝগড়া দিয়ে শুরু তাঁদের গল্প, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরস্পরকে ভালোবেসে ফেলে তাঁরা।

এমনকি বিয়ের মণ্ডপ পর্যন্ত গড়িয়ে ছিল কিন্তু শেষ মুহূর্তে বিয়ে ভেস্তে দেয় চড়ুই। মিথ্যা বদনাম দিয়ে লালনকে পুলিশের হাতে তুলে দেবে চড়ুই এই আশঙ্কায় বেঁকে বসে ফুলঝুরি। ভুল বোঝাবুঝির জেরে ভেঙে যায় সম্পর্ক। অভিমান,জেদ আর রাগের বশে চড়ুইকে বিয়ের জন্য রাজি হয়ে যায় লালন। তারপর থেকেই অদ্ভূত রেষারেষি লালন-ফুলঝুরির। আর এখানেই কাহিনিমে টুইস্ট।

অন্যের বাড়িতে ফাই ফরমাশ খাটলেও ফুলঝুরি দারুণ গান লেখে, এই কথা আগেই জানা গিয়েছিল তবে সে গানও গায় এটা দর্শকদের কাছে একদম নতুন। এবার লালনকে নিজের কদর বোঝাতে সুপ্ত গানের প্রতিভাকে শান দিচ্ছে ফুলঝুরি। এই কাজে তার গুরু হয়েছে বড় মামি আর ছোট মামু।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সিরিয়ালের একটি ক্লিপ। সেখানেই ট্রোলিংয়ের মুখে পড়ল লালন-ফুলঝুরিরা। একদিকে লালনের গলায় ঠায় একটাই গান শুনে বিরক্ত দর্শক, তেমনি ফুলঝুরির গায়িকা হওয়ার বিষয়টি নিয়েই শুরু হয়েছে চরম হাসি ঠাট্টা।

কেউ ফুলঝুরিকে ‘জবার বংশধর’ বলে কটাক্ষ করল তো কেউ ‘গরীবের নেহা কক্কর’ বলে তুলোধনা করল। কেউ কেউ তো অবাক, “জীবনে গান শিখলো না ফুলঝুরি আর দু-দিন আগে হঠাত্ ওর মনে হল ও গান পারে, আর সেখান থেকে সোজা স্টেজ শো।” এখন এটাই দেখার যে এই নেগেটিভ পাবলিসিটি কি ধুলোকণার টিআরপি তে কোনো প্রভাব ফেলবে?

Advertisement

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে