Kargil Vijay Diwas: বর্ষপূর্তিতে উত্তপ্ত অসম-মিজোরাম সীমান্ত, নিহত ৬ পুলিশ কর্মী

0
116



Priyanka Pal, DNI: কার্গিল দিবসের (Kargil Vijay Diwas) বর্ষপূর্তিতেই আবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিল অসম-মিজোরাম সীমান্ত। দুই রাজ্যের সীমানায় অসমের নিরাপত্তা বাহিনী ও মিজোরামের বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বেঁধে যায়। ঘটনার জেরে অসম পুলিশের ৬ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর দফতরে আবেদন জানিয়েছেন দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই। এবার ময়দানে নামেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছেন, দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেই এই বিবাদ মিটিয়ে নিতে। সেই প্রেক্ষিতে দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি দ্রুত মিটিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, জুন মাসের শেষ থেকেই অসম মিজোরাম সীমান্ত উত্তপ্ত। দুই রাজ্যের সীমান্তে রয়েছে এইতলানঘর নামে একটি এলাকা। মিজোরামের দাবি সেই জায়গার দখল নিয়েছে অসম পুলিশ। আবার অসম পুলিশের দাবি সেই জায়গার দখল নিয়েছে মিজোরাম। আর এই এলাকা দখল ঘিরেই চিন সীমান্ত ঘেঁষা এই এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। সংঘর্ষে প্রাণ হারান অসমের ৬ জন পুলিশ কর্মী। গোটা ঘটনার জেরে থমথমে পরিস্থিতি উত্তরপূর্বর একাংশে।

সেই মুহুর্তের পরিস্থিতি ক্রমেই তপ্ত হতে থাকায়, ঘটনার ভিডিও টুইট করে প্রকাশ করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। এরপর তিনি সেই ভিডিওতে মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীকে ট্যাগ করেন। পাল্টা নিশানা করেছেন মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীও। ৬ জন পুলিশ কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী।

এখন প্রশ্ন উঠছে দুই রাজ্যের মধ্যে বিরোধে যদি পুলিশ সদস্যরাই শহীদ হচ্ছেন তবে তা কার ব্যর্থতা? ৬ জওয়ানের মৃত্যুর দায়ভার কে নেবে? শুধু ৬ জওয়ান নয়, আহত হয়েছেন ৫০ জনের বেশি পুলিশ কর্মী। গুলি চলেছে, চলেছে পাথরবৃষ্টিও। কার্গিল দিবসে যেদিন দেশের জন্য শহীদ হওয়া বীর জওয়ানদের আত্মবলিদানের কথা আমরা স্মরণ করি, সেদিনই নিহত হলেন আরও ৬ জওয়ান। পুলিশের কাজ মানুষের জীবন রক্ষা করা। আর এই রণক্ষেত্রে তারাই শহীদ হচ্ছেন। কেন্দ্রীয় সরকার কেনো এখনও কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না? আর কতো জওয়ানের মৃত্যু হলে নড়েচড়ে বসবে সরকার তাই এখন মূল বিষয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে