Sarada Case:শুভেন্দু কে ছাড় কেন?:কুনালের চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের।

0
52

রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় ফেলে দেওয়া সারদা মামলা এবার আবার অন্যদিকে মোড় নিল। সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনের লেখা চিঠির ভিত্তিতে, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে চিঠি লেখেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। আজ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের পক্ষ থেকে সেই চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সারদা মামলায় মূল অভিযুক্ত সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন সহ আর বেশ কয়েকজন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা মন্ত্রী। তার মধ্যে রয়েছেন বর্তমান তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র, সাংবাদিক ও প্রাক্তন সাংসদ কুনাল ঘোষ এবং তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা এবং প্রাক্তন পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও।

কিছুদিন পূর্বে, 9ই সেপ্টেম্বর সারদা মামলায় অন্তর্বর্তী জামিন পান কুণাল ঘোষ। ব্যাক্তিগত 20 হাজার টাকার বন্ডে জামিন পেলেও কোর্ট কুণাল বাবুকে নির্দেশ দিয়েছেন তদন্ত প্রক্রিয়ায় সব রকম ভাবে সাহায্য করতে। কিন্তু এর মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যে তদন্ত প্রক্রিয়া রাজনৈতিক ভাবে উদ্দেশ্য প্রণোদিত। কারণ তৎকালীন তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারী, যিনি বর্তমানে ভারতীয় জনতা পার্টির বিধায়ক এবং রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা, তার বিরুদ্ধে বহু প্রমাণ থাকলেও, কোনো রকম পদক্ষেপ করছে না তদন্তের দাযিত্বে থাকা কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি, সিবিআই এবং ইডি।

কিছুদিন পূর্বে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ এবং যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কয়লা কেলেঙ্কারি তদন্তে দিল্লিতে জেরা করে সিবিআই। সেখানে অভিষেক বলেন, ভিডিওতে পরিস্কার দেখা গেছে, শুভেন্দু(অধিকারী) হাত বাড়িয়ে টাকা নিচ্ছেন, কিন্তু তবুও সিবিআই তাকে জেরা করছেন না। কারণ তিনি একটি রাজনৈতিক দলের (বিজেপি) সদস্য।

প্রসঙ্গত, এই অভিযোগ বিরোধী দলগুলি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বহুদিন ধরেই করে আসছে যে, সিবিআই এবং ইডি কে কেন্দ্রীয় সরকার তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে ব্যবহার করছে। আর এই ভয়ে কোনো অভিযুক্ত যদি বিজেপিতে যোগ দিয়ে দেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে কোনো তদন্তই হচ্ছে না। বিরোধীরা এই জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে “ওয়াশিং মেশিন” বলে কটাক্ষও করেছেন। কারণ বিজেপিতে যোগ দেওয়া মানেই সব কলঙ্ক থেকে মুক্তি। যার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীকে।

এর বিরুদ্ধেই সরকারি ভাবে চিঠি লেখেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তবে সেই চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা হলেও, শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কতটা কড়া হবে কেন্দ্র সে বিষয়ে যথেষ্টই সন্দিহান রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

News By Gourab DNI

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে