সমাজ তাকে মেনে নেয়নি! ঘুরে দাড়িয়ে আজ দেশের নাম উজ্জ্বল করছেন এই ৩ ফুটের IAS

0
65

উচ্চতা কম থেকেও কিভাবে শুধুমাত্র মনের জোরকে সম্বল করে আর কঠিন পরিশ্রমের মাধ্যমে সমস্ত বাধা বিপত্তিকে দূরে সরিয়ে নিজের লক্ষ্যে পৌঁছে যেতে হয় তারে এক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন আরতি। তার এই তিন ফুট উচ্চতা নিয়ে যথেষ্ট বাঁকা চোখে তাকিয়ে ছিল সমাজ। তাতে কী !? কাজের মাধ্যমে সমস্ত কটুক্তির জবাব দিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা আরতি ডোগরা। 

Advertisement

বছরের পর বছর তার বয়স বাড়লেও উচ্চতা বাড়েনি। উচ্চতা বাড়েনি বলে সমাজে চলতে থাকে এই নিয়ে নানান রকম তামাশা। আরতির বাবার রাজেন্দ্র ডোগরা হলেন সেনাবিভাগের একজন অফিসার।  কুমকুম ডোগরা একজন বিদ্যালয় এর শিক্ষিকা। এত কিছুর পরেও তার মা-বাবা কিন্তু হাল ছেড়ে দেননি শক্ত হাতে ধরেছিলেন আরতির দুটি হাত। 

প্রথম প্রথম স্কুলের কটূক্তিতে কষ্ট পেতেন আরতি। কিন্তু পরে সেই কষ্টকেও জয় করে ফেললেন। স্কুলের পরে দিল্লির লেডি শ্রীরাম কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক হন আরতি। স্নাতকোত্তর করতে চলে যান দেহরাদূন। সেখানেই তাঁর সঙ্গে আলাপ হয় আর এক আইএএস অফিসার মনীষার। তারপরেই দাঁতে দাঁত চেপে শুরু হল প্রস্তুতি। 

আরতি ২০০৬ সালে IAS অফিসার হয়েছিলেন। ওনার উচ্চতা মাত্র তিন ফুট ছয় ইঞ্চি। আরতি ডোগরা এখন রাজস্থান ক্যাডারের IAS অফিসার। আরতির উচ্চতা কম হলেও, আজ তিনি গোটা দেশের মহিলা এবং মহিলা IAS আধিকারিকদের রোল মডেল হয়ে উঠেছেন। আরতি নিজের কার্যকালে অনেক বড় বড় কাজ করেছেন। আর তিনি কোন মানুষকেই অছ্যুত হিসেবে দেখেন নি। ওনার কাছে সবাই সমান।

Advertisement

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে